শিশুদের সুস্বাস্থ্যের জন্য কি খাওয়া উচিত আর কি খাওয়া উচিত নয় 

শিশু আমাদের সকলের চোখের মণি।তাই শিশুদের সুস্থ রাখার দায়িত্ব কিন্তু আমাদেরই।কি খাবে,কতটা খাবে তা নির্ভর করে কোথায় থাকে, পরিবারের খাবার ধরন,অভ্যেস,খাবারের স্বাদ,হজম করার ক্ষমতার ওপর।কোন বয়সে,কোন খাবার,কতটা খাবে সেই দায়িত্ব কিন্তু মায়েদের কেই নিতে হবে।শিশুর বেড়ে ওঠা নির্ভর কেবল মাত্র খাবারের ওপর।শিশুর বেড়ে ওঠার প্রতি মায়ের অবদান সব চেয়ে বেশি।একজন মায়ে পারে শিশুকে সুস্থ সবল গড়ে তুলতে।আসুন জেনে নিই কোন খাবার,কোন বয়সে বেবিদের দিতে হবে।
শিশুদের সুস্বাস্থ্যের জন্য কি খাওয়া উচিত আর কি খাওয়া উচিত নয়
শিশুদের সুস্বাস্থ্যের জন্য কি খাওয়া উচিত আর কি খাওয়া উচিত নয় 

শিশুদের সুস্বাস্থ্যের জন্য কি খাওয়া উচিত

১-২ মাস :পর্যন্ত মায়ের দুুধ এ যথেষ্ট।এই সময় শিশু চেয়ে মায়ের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।এই ১-২ মাসে শিশুর মায়ের দুুুধের বেশি প্রয়োজন।তাই মা সুস্থ থাকলে শিশু সুস্থ থাকবেন।যে সব মায়েদের বুুকের দুধ হয় না।তারা বেবি দের বাজারের  বেবি ফুড খাওয়াবেন।

৩-৪ মাস: পর্যন্ত কুুলার পরিমাণটা বাচ্চার হজম শক্তি চাহিদা অনুসারে সিকিভাগ করে বাড়ান।একটা ডিম সিদ্ধ ১\৪ অংশ বা সামান্য টাটকা মাছ।ভেজিটেবল স্যুপ দিতে পারেন তার সঙ্গে বেবি ফুড। 

৫-৬ মাস:পর্যন্ত শিশুদের খাবার চাহিদা বাড়ে।সেই সময় বাড়িতে তৈরি খাবার দেবেন। যেমন-গলাভাত আপেল সিদ্ধ,সুজির পায়েস, পাতলা করে গরুর দুধ দিতে পারেন।

৭-৮মাস:শিশুর হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়।সেই সময় গলাভাতের সঙ্গে ডিম,মাছ,মাংস সব দিতে পারেন।

৯মাস ১বছর:এই বয়সের শিশুদের ভাত থেকে চিকেন,মটন খাওয়াতে শুরু করুন।দুধ,চিড়ে,মুড়ি সাথে সামান্য ঝাল খাবার অভ্যস করতে হবে।তবে দুধ খেতে না চাইলে দই বা ছানা খাওয়াবেন।

চার বছরের পর:সামান্য মশলাদার খাবার খাওয়াবেন।এই সময় বাচ্চারা স্কুলে যাচ্ছে, তাই টিবিনে কলা বা শিশুর পছন্দ মতো ফল,বিস্কুট,কেক,রুটি,লুচি, পরোটা দিবেন।