শীত কালে সর্দি  কাশি থেকে মুক্তি

শীত কালে সর্দি  কাশি থেকে মুক্তি

শীত কালে সর্দি  কাশি থেকে মুক্তি



ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে অনেকের শুরু গেছে  সর্দি কাশি সাথে মাথা ব্যথাও।সেই সাথে বাতাসে হিমের পরশ।বাড়ছে কুয়াশা।তবে সকালের দিকে ঠান্ডা করলেও দুপুরে দিকে আবার গরম।এই তাপমাত্রা তারতম্যের জন্য সর্দি  কাশি গলা ব্যথা খুব সহজেই ধরে যাচ্ছে।বিশেষ করে ছোট শিশু ও বয়স্কদের এই সময়টা খুব সাবধানে থাকা উচিত।খুব প্রয়োজন না থাকলে ফ্যানের বাতাস,এসি একদমি বন্ধ রাখা দরকার।ঋতু পরিবর্তনের ছাড়াও বেশি পরিশ্রম,দুশ্চিন্তা,শারীরিক দুর্বলতা,অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বাস প্রভৃতি কারণেও সর্দি কাশি হয়।তবে বিশেষ করে আবহাওয়া পরিবর্তনের জন্য সর্দি কাশি বেশি হয়।তাই শীত কালে ভিটামিন পূর্ণ,প্রোটিন যুক্ত পুষ্টি কর খাবার খাওয়া উচিত দুধ ডিম আবশ্যয় খেতে হবে।তবে অনেকের সামর্থ্য হয় না দুধ,ডিম ফল খাবার।তবে তারা শাকসবজি পরিমাণ বেশি  খেলেই পুষ্টির অভাব হয় না।।ডাক্তারি ওষুধের পাশাপাশি ঘরোয়া পদ্ধতিতে সদি কাশি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

শীত কালে সর্দি  কাশি থেকে মুক্তির পদ্ধতি গুলি হল-

‌ 
* ১০ গ্রাম তুলসী মঞ্জরী সঙ্গে ২৫ গ্রাম পরিমাণ মতো রুদ্রাক্ষ ঘাস দিয়ে চা করে সকাল  বিকেল খেলে সর্দি কাশি থেকে একেবারে মুক্তি পাওয়া যায়।

* পরিমাণ মতো জল নিয়ে তাতে আদা থেঁতো করে দিয়ে,বেশ কিছু ক্ষণ ধরে জলটা ফোটাতে হবে।তাতে সামান্য নুন ও চিনি আর চা দিয়ে ফুটিয়ে নামিয়ে নিলে সকাল সন্ধ্যা খেলে সর্দি  কাশি থেকে বেশ আরাম পাওয়া যায়।

* ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে খাঁটি সরিষার তেল বেশ কার্যকারী।সরিষার তেলের সঙ্গে তিন চারটে রসুনের কোয়া ফুটিয়ে নিয়ে,তেল হালকা ঠান্ডা করে বাচ্চাদের গা হাত পা মালিশ করলে সর্দি টেনে যায়।

* এক গ্লাস জলে এক চামচ লেবু রস এর সঙ্গে এক চামচ মধু মিশিয়ে পান করুন।মধু ব্যাকটেরিয়াধ্বংস করে।এমনকি বুকে কফ জমে গেলে।মধু বুক থেকে কফ বা শ্লেষ্মা দূর করে গলা পরিষ্কার রাখে।

* বুকে সর্দি ,কফ দূর করতে সবচেয়ে সহজ উপায় হল লবন জল।লবন শ্বাসযন্ত্র থেকে কফ দূর করতে সাহায্য করে।এক গ্লাস সামান্য উষ্ণ জলের সঙ্গে এক চামচ লবন মিশিয়ে দিয়েসকালে রাতে গারগেল করলে ভালো উপকার পাওয়া যায়।

* হলুদের মধ্যে থাকে কারকুমিন নামের উপাদান। বুক থেকে কফ বা শ্লেষ্মা দূর করে বুকে ব্যথা শ্বাসকষ্ট তারাতারি কমিয়ে দেয়।এক গ্লাস দুধে সামান্য হলুদ গুড়ো সামান্য মধু ও গরমরিচ এর গুড়ো মিশিয়ে ফুটিয়ে দুই থেকে তিন পান করলে খুব ভালো ফল পাওয়া যায়।

এসময় ভিটামিন ও পুষ্টিকর খাদ্য খাবেন।রাতে ভাত না খাওয়া ভালো।টক জাতীয় খাবার খাবেন না।